বিজ্ঞাপন
বিকেলের পর থেকেই চর মাঠলার এই বালুচরে মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে। নদীর কোল ঘেঁষে দীর্ঘ বালুর বিস্তার আর খোলা দিগন্ত সমুদ্রসৈকতের আবহ তৈরি করায় এটি দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই স্থানের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জায়গাটি দ্রুত পরিচিতি লাভ করেছে।
জালালাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মতে, এক সময়ের নির্জন এই চর এখন মুখরিত থাকে পর্যটকদের উপস্থিতিতে। ছুটির দিনে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন। কেউ মনোরম পরিবেশে ছবি তুলছেন, আবার কেউবা সূর্যাস্তের লাল আভা উপভোগ করছেন।
তবে জনপ্রিয়তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়েনি নাগরিক সুবিধা। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বসার স্থান কিংবা সুপেয় পানির কোনো সুবিধা নেই। কোনো স্থায়ী অবকাঠামো না থাকায় দর্শনার্থীদের সতর্কতার সাথে চলাফেরা করার পরামর্শ দিয়েছেন এলাকাবাসী।
সচেতন মহলের মতে, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন ও পরিচর্যা করা গেলে চর মাঠলা হতে পারে গোপালগঞ্জের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা মধুমতির এই বালুচর এখন গোপালগঞ্জবাসীর গর্ব। নদী, বালু আর আকাশের মায়াবী বন্ধন দেখতে প্রতিদিন নতুন নতুন দর্শনার্থী ভিড় জমাচ্ছেন এই “মিনি কক্সবাজারে”।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...