বিজ্ঞাপন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেতুর ফলক উন্মোচন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী রবিউল ইসলাম (এমপি)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান (এমপি) এবং বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান।
দীর্ঘ ২৭ কিলোমিটারের এই সড়কে কেবল একটি সেতুর অভাবে অত্র এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা চরম বিড়ম্বনার শিকার ছিল। জরুরি প্রয়োজনে রোগী এবং পচনশীল কৃষিপণ্য স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ফেরিঘাটে যানবাহনকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে নাজেহাল হতে হতো। সেতুটি চালুর ফলে বরিশাল জেলা সদরের সাথে বাকেরগঞ্জের পূর্বাঞ্চলীয় ইউনিয়ন কবাই, নলুয়া, দুধলসহ পটুয়াখালীর বাউফল ও দুমকী উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় এই সেতু নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্প চলাকালীন দুই দফায় এই সেতুর নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ধার্য করা হয়।
প্রায় ২৫৪০ ফুট বা ৭০০ মিটারের বেশি দীর্ঘ এই আরসিসি গার্ডার সেতুটির সাথে রয়েছে ৯০ মিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক। এছাড়াও নদীর দুই তীরে ৮৬০ বর্গমিটার এলাকায় নদী শাসনের ব্যবস্থা হিসেবে কংক্রিটের ব্লক বসানো হয়েছে।
নির্মাণকালীন সময়ে বিআইডব্লিউটিএ-এর আপত্তির কারণে সেতুর উচ্চতা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে মূল নকশায় পরিবর্তন এনে কাজ সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে গোমা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল জনপদের চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার বিকাশে এক নবদিগন্তের সূচনা হলো।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...