বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে চাটখিল থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের জট খোলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মনীষ দাশ জানান, গত ১২ জানুয়ারি অটোরিকশা চালক মাসুম বাবুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এই হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মোঃ রাজু (২৬), মোবারক হোসেন মুন্না (২৫) ও মোঃ রুবেল (৩০)। গ্রেফতারের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার মাসুমের বড় ভাই মিস্টার মিয়া (৩০) ব্রিফিংয়ে উপস্থিত থেকে পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "আমার ছোট ভাইয়ের হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনায় আমরা ন্যায়বিচারের আশা খুঁজে পেয়েছি।"
একই ব্রিফিংয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারির একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনার অগ্রগতির বিষয়েও জানানো হয়। চাটখিল পৌরসভার ছয়ানী টবগা সাহেব বাড়িতে তারাবির নামাজের সময় একদল ডাকাত গৃহবধূ জোবেদা আক্তার সুমিকে জিম্মি করে ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৮০ হাজার টাকা লুট করে। এই ঘটনায় গত ১০ মার্চ পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাসুুদুর রহমানের ছেলে কিশোর মোঃ শুভ (২৪) ও শাহজাহানের ছেলে কিশোর আবদুল কাদের শ্রাবণকে (১৭) গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে লুন্ঠিত মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ জানান, নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার এ টি এম মোশাররফ হোসেন ও সহকারী পুলিশ সুপার মনীষ দাশের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের সোনাচাকা বাজারে ব্যাটারি বিক্রির একটি সূত্র ধরে তদন্তকারী দল খুনিদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে চাটখিল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সেকান্দর মোল্লা, এসআই নয়ন কান্তি দাসসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদক- মোঃ সিরাজুল ইসলাম হাসান, চাটখিল, নোয়াখালী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...