বিজ্ঞাপন
গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে মাগুরা জামে মসজিদের পাশে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাবিনা খানম (৪৯) বাদী হয়ে খন্দকার হারুন অর রশিদ চান্দুসহ সাত জনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন।
এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাদী সাবিনা খানম ও তার স্বামী খন্দকার আব্দুল করিম দুজনেই পেশায় শিক্ষক। বুধবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে তারা কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। অভিযোগ রয়েছে, সকাল ৯টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে তার ভাই হারুন অর রশিদ চান্দুর নেতৃত্বে একদল লাঠিয়াল বাহিনী দেশীয় অস্ত্র ও ইলেকট্রিক কাটিং মেশিন নিয়ে তাদের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা বসতঘরের টিনের চাল কাটা শুরু করলে খবর পেয়ে সাবিনা খানম ও তার স্বামী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
ভুক্তভোগীরা জানান, ভাঙচুরে বাধা দিতে গেলে ১নং আসামি হারুন অর রশিদের নির্দেশে অন্য আসামিরা তাদের ওপর চড়াও হয়। এ সময় ১নং আসামি হত্যার উদ্দেশ্যে ইট দিয়ে আঘাত করলে আব্দুল করিমের কপাল ফেটে গুরুত্বর জখম হয়। এছাড়া ২নং আসামি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। হামলায় সাবিনা খানম, তার ভাসুর খন্দকার শফিকুল আলমসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, হামলার সময় আসামিরা সাবিনা খানমের শ্লীলতাহানি ঘটায় এবং তার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আনুমানিক এক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বর্তমানে ভুক্তভোগী শিক্ষক পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...