বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের ওই মাদরাসা মাঠে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। এতে বক্তব্য রাখেন ৯ নম্বর সমাজ বায়তুল হাবীব জামে মসজিদের সেক্রেটারি মো. জাহের হোসেন, মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি মাফুজুর রহমান আল মাদানী এবং হেফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ শহীদ উল্যাহসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক মো. আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত। তাদের দাবি, অভিযোগকারী ব্যক্তি এলাকায় নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত এবং তার কারণে বহু পরিবার অতিষ্ঠ। মূলত মাদরাসার সুনাম ক্ষুণ্ণ করতেই এই সাজানো মামলা দেওয়া হয়েছে।
মানববন্ধনে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলার এজাহারে ঘটনার তারিখ গত ৫ ফেব্রুয়ারি দেখানো হলেও মামলা করা হয়েছে প্রায় দুই মাস ১০ দিন পর। এই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানই প্রমাণ করে যে এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অন্যদিকে মামলার বাদী তার অভিযোগে অটল রয়েছেন এবং নিজের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর তোলা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে সুবর্ণচরের চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...