বিজ্ঞাপন
তার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণা, চেক জালিয়াতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব বিষয় নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও একাধিক মামলা থাকলেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আল-মামুন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ও সমন জারি রয়েছে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং বিভিন্ন স্থানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে করে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, মামুন ভূঁইয়া ‘মাউন্টেন কনজিউমার লিমিটেড’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান থেকে চেক আত্মসাতের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। বিভিন্ন লেনদেনের আড়ালে তিনি প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া একাধিক চেক জালিয়াতির ঘটনায় সংশ্লিষ্টরা তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ ও ভাউচার উপস্থাপন করেছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, মামুন শুধু অর্থ আত্মসাৎ করেই ক্ষান্ত হননি, বরং তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও দায়ের করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পরও তিনি বিভিন্ন লোকবল ব্যবহার করে মাউন্টেন কনজিউমার লিমিটেডের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি ও হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, মাউন্টেন কনজিউমার লিমিটেড সরকারি নিয়ম মেনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা স্থানীয় পর্যায়ে অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। কিন্তু মামুনের এমন কর্মকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলছেন—আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কীভাবে এতটা দাপটের সঙ্গে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন? তার খুঁটির জোর কোথায়? কেন তাকে এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না?
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী দ্রুত মামুন ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমেই এলাকায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...