বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে দিনের পাশাপাশি রাতেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। পরীক্ষার আগ মুহূর্তে প্রস্তুতির জন্য রাতের সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সে সময়েই দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে পরীক্ষার্থীরা তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করতে হিমশিম খাচ্ছে।
পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটার কথা জানিয়ে একজন পরীক্ষার্থী বলেন, “রাতের বেলা বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে। সামনে পরীক্ষা, অথচ ঠিকমতো রিভিশন দিতে পারছি না। দীর্ঘক্ষণ মোমবাতি বা চার্জার লাইটের আলোয় পড়া সম্ভব হয় না, যা নিয়ে আমরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় আছি।”
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের এই চিত্র নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অপরিহার্য। লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপের পাশাপাশি শারীরিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। তারা অনতিবিলম্বে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা না হলে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জনস্বার্থে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...