বিজ্ঞাপন
জব্দকৃত জাহাজটি ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান শিপিং লাইন্স’ (আইআরআইএসএল)-এর মালিকানাধীন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে এই সংস্থাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
সেন্টকোমের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওমান উপসাগরে শনাক্ত করার পর জাহাজটিকে থামার সংকেত দেওয়া হলেও এর ক্রুরা সেই নির্দেশ পালন করেননি। বর্তমানে জাহাজের ক্যাপ্টেনসহ সকল ক্রু মার্কিন বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন। তবে ক্রুদের সঠিক সংখ্যা বা জাতীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সেন্টকোম।
সেন্টকোম জানিয়েছে, প্রাথমিক তল্লাশিতে জাহাজটিতে সামরিক কাজে ‘পুনর্ব্যবহারযোগ্য’ ধাতব পাইপ, ইলেকট্রনিক সরঞ্জামসহ বেশ কিছু উপকরণ পাওয়া গেছে।
আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘সাইনম্যাক্স’-এর তথ্যমতে, জাহাজটি গত ২৫ মার্চ চীনের সাংহাই থেকে যাত্রা শুরু করে এবং মালয়েশিয়ার ক্লাং বন্দর হয়ে ইরানের চাবাহার বন্দরের দিকে যাচ্ছিল।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘বলপ্রয়োগপূর্বক আটকে দেওয়া’ হিসেবে অভিহিত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকেও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) জাহাজ জব্দের এই ঘটনাকে ‘সমুদ্র ডাকাতি’ ও ‘প্রকাশ্য আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জাহাজটিতে ক্রুদের পরিবারের সদস্যরা থাকায় তারা তাৎক্ষণিক সামরিক অভিযানে যায়নি। তবে তারা অবিলম্বে জাহাজ ও ক্রুদের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করেছে।
সূত্র : রয়টার্স।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...