প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
বিজ্ঞাপন
উপদেষ্টা বলেন, সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মোট ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। স্বাস্থ্য খাতের পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমান সরকারের খাল খনন কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটারের মধ্যে ইতিমধ্যে ৫৬১ কিলোমিটার খনন সম্পন্ন হয়েছে, যার অগ্রগতির হার ৪৪.৫৫ শতাংশ।
সংস্কৃতি ও বৈশাখী উৎসব প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, "পহেলা বৈশাখ ঘিরে নানা আশঙ্কা থাকলেও এবার দেশজুড়ে অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্ত ও বর্ণাঢ্য উৎসব পালিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে এসব আয়োজন আরও সুপরিকল্পিতভাবে করার নির্দেশনা দিয়েছেন। আগামীতে বৈশাখ কেন্দ্রিক উৎসব শুধু কয়েকদিন নয়, বরং মাসজুড়ে পালন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।"
সাংস্কৃতিক কূটনীতি জোরদারের লক্ষ্যে আগামী বছর থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে আঞ্চলিকভাবে নববর্ষ উদযাপনের সম্ভাবনার কথা জানান উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, "১৪ এপ্রিল শুধু আমাদের নয়; মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং ভারতের কিছু অংশেও নববর্ষ উদযাপিত হয়। আমরা এই দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরির চেষ্টা করব, যেমনটি পারসিক নববর্ষ ‘নওরোজ’-এর ক্ষেত্রে দেখা যায়।"
তিনি আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী এই জাতীয় উৎসবগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন কারণ এগুলো বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে একত্রিত করে বাংলাদেশি জাতীয়তাবোধকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আঞ্চলিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের আসা-যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কূটনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...