Logo Logo

সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হচ্ছেন এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু


Splash Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু সংসদ সদস্য মনোনীত হচ্ছেন—এমন খবরে ঝালকাঠি জেলাজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সরগরম আলোচনার মধ্যে ডা. মিতু নিজেই গণমাধ্যমের কাছে মনোনয়নের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


বিজ্ঞাপন


দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্ধারিত আসন থেকে ডা. মিতুকে এই মনোনয়ন প্রদান করেছে। জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতারাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডা. মাহমুদা আলম মিতুর পৈতৃক নিবাস ঝালকাঠি-১ আসনের কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে। তার দাদা আমজাদ হোসেন টানা তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা তার পরিবারের গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তিকে প্রকাশ করে।

ডা. মিতু একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে শৌলজালিয়া হাইস্কুল থেকে বৃত্তি লাভ এবং পরবর্তীতে বেতাগী ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। ঢাকার শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি চিকিৎসার পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ঝালকাঠি-১ এলাকায় তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর নিরাপত্তা ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে ‘কেয়ার অব মিতু’ নামক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে আসছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের প্রার্থীর পক্ষে তার সক্রিয় জনসংযোগ রাজনৈতিক মহলে তার অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে।

মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে ডা. মাহমুদা আলম মিতু বলেন, “মানুষের সেবা করার স্বপ্ন থেকেই আমি চিকিৎসক হয়েছি। এখন সেই অভিজ্ঞতাকে বৃহত্তর পরিসরে কাজে লাগাতে চাই। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মাতৃস্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা আমার অন্যতম লক্ষ্য।” তিনি আরও যোগ করেন, ঝালকাঠিকে একটি নিরাপদ, শিক্ষিত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি আমৃত্যু কাজ করে যেতে চান।

একজন তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত চিকিৎসককে সংসদ সদস্য হিসেবে পেতে যাওয়ায় ঝালকাঠির রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ডা. মিতুর মতো যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে ঝালকাঠির পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...