মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল। ফাইল ছবি
বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান টার্মিনালের মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালটি মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে আকস্মিক কারিগরি ত্রুটির কবলে পড়ে। এর ফলে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাবে ঢাকার দক্ষিণাংশসহ নারায়ণগঞ্জ, সোনারগাঁ, গজারিয়া ও মেঘনাঘাট এলাকায় গ্যাসের তীব্র সংকট ও স্বল্পচাপ দেখা দেয়।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) জানায়, এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বন্ধ হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ দৈনিক ৯৫ কোটি ঘনফুট থেকে কমে ৫৫ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। অর্থাৎ তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ প্রায় ৪০ কোটি ঘনফুট হ্রাস পায়। এর ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প কারখানাসহ সব পর্যায়ের গ্রাহক গ্যাস সংকটে ভোগান্তির শিকার হন।
তবে একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকলেও সামিট পরিচালিত অপর টার্মিনালটি থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছিল। পেট্রোবাংলা সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, দ্রুত মেরামতের পর দুপুর ১২টার দিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।
এর আগে সকালে সরবরাহ কমার পর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিল। বর্তমানে সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তিতাস অধিভুক্ত এলাকাগুলোতে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...