বিজ্ঞাপন
আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ফিতা কেটে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির উপ-পরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. লোকমান হাকিমের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তার। এছাড়া গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিকদার শহীদুল ইসলামসহ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৌশিক আহমেদ এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, "দেশ আজ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে, আর এর সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের কৃষি খাতও সমৃদ্ধ হচ্ছে। বর্তমান পুষ্টি নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে ফল মেলার গুরুত্ব অপরিসীম।" তিনি আরও জানান, দেশীয় ফলের উৎপাদন ও বিপণন বাড়াতে আগামীতে এই মেলা জেলা জুড়ে আরও বৃহৎ পরিসরে আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ ফলের অপরিসীম পুষ্টিগুণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, "সুস্থ ও সবল জীবনের জন্য আমাদের প্রতিনিয়ত ফল খেতে হবে।" তবে আমাদের দৈনিক পুষ্টির চাহিদার তুলনায় দেশীয় ফল খাওয়ার প্রবণতা কম উল্লেখ করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বলেন, "আমাদের শরীরে যে পরিমাণ ফল খাওয়া প্রয়োজন, আমরা প্রতিদিন সেই পরিমাণ দেশীয় ফল খাই না।" তিনি সবাইকে ক্ষতিকারক ও রাসায়নিকযুক্ত বিদেশি ফলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তাজা দেশীয় পুষ্টিকর ফল বেশি বেশি খাওয়ার আহ্বান জানান।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের মেলায় দেশীয় প্রজাতির প্রচলিত ও অপ্রচলিত নানা জাতের পুষ্টিকর ফলের মোট ১০টি দৃষ্টিনন্দন স্টল বসেছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থানীয় আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, লটকন, করমচাসহ নানা ফলের প্রদর্শনী ও চারা বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে। এই মেলা আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...