বিজ্ঞাপন
নিহত রিমা আক্তার ( মাহফুজার) পিতার বাড়ি দুধল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সুন্দরকাঠী গ্রামে, তার পিতার নাম মোঃ আমজেদ গাজী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৩ বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী কবাই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের মোঃ ইউনুস হাওলাদারের ছেলে জহিরুল ইসলাম ( বাবলুর) সাথে উভয় পরিবারের সম্মতিতে রিমা আক্তার মাহফুজার বিবাহ হয়। এবং তাহাদের ঘরের দুটি সন্তান জন্মগ্রহণ করে। বর্তমানে ১১ বছরের একটি মেয়ে সন্তান আছে এবং ৬ বছরের আরেক সন্তান মারা গেছে।
নিহতের ভাই কাওসার গাজী জানান, বিবাহের পর থেকেই তার বোনের ওপর স্বামী সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা যৌতুকের জন্য প্রায়ই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করত। এবং এ ঘটনা নিয়া একাধিকবার পারিবারিক ভাবে মিমাংসা করা হয়, তার পরেও প্রায়ই যৌতুকের জন্য অমানুষিক নির্যাতন করা হত।
নিহত গৃহবধুর বাবার বাড়ির সুত্রে আরো জানা যায়, ২৩ জনু মঙ্গলবার ঘটনার দিন ব্যবসা করার জন্য গৃহবধু রিমা আক্তার ( মাহফুজা) কে বাবার বাড়ি থেকে ১০,লক্ষ টাকা নিয়া আসতে স্বামী ও শ্বশুর, শাশুড়ি মিলে অমানষিক নির্যাতন করলে এক পর্যায়ে অচেতন হয়ে মৃত্যু বরন করে। এবং আইনী ঝামেলা এড়াতে নিহতের মুখে কীটনাশক জাতীয় ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দিয়া বিষ খেয়ে আত্মহত্যার অভিযোগের চেষ্টা করা হয়।
মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে গৃহবধু রিমার বাবার বাড়ির লোকজন যাইয়া দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্য রাতে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। এবং লাশের ময়না তদন্ত শেষে পরদিন ২৪ জুন বুধবার বিকালে বাবার বাড়িতে দাফন করা হয়
মারা যাওয়ার সংবাদ শুনে একমাত্র সন্তান শর্মী আক্তার ( ১১) কে নিয়া স্বামী সহ শশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই কাওসার হোসেন বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আদিল হোসেন জানান, তিনি ঘটনা শুনেছেন মামলা পক্রিয়াধীন রয়েছে,তদন্ত করে আইনগতভাবে ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...