ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটে ওই ভবনে লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে রাত ৩টা ৮ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ ঘটনায় ভবনটি থেকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাাতলে ও অপর একজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পর দুজনকেই মৃত ঘোষণা করা হয়।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. নাজমুল ও সরোয়ার জানান, রাতে এলিফ্যান্ট রোড়ের কাঁটাবন আল বারাকা টাওয়ারের ১০তলা ও ১১তলা হঠাৎ করে আগুন ধরে ধোঁয়ায় গুরুতর আহত হয় তারা। পরে আব্দুস সালামকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন ও জাতীয় বার্নে জরুরি বিভাগে জনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করে।
তিনি আরও জানান, নিহত আব্দুস সালামের বাড়ি বগুড়া জেলা কাহালু থানা বড় ভাদাহার মো. সেলিম সরকারের ছেলে। বর্তমানে, আল বারাকা টাওয়ারের ১১তলায় (আন্তর্জাতিক অপরাধ) ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক ও নিহত জনির গ্রামে বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরের বাবুন্দিয়া গ্রামে বাবুল মিয়ার ছেলে। সাবেক উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজে ক্লার্ক।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগুন লাগার পর দগ্ধ অবস্থায় ওই দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে জনিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং আবদুস সালামকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে দুই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...