বিজ্ঞাপন
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাশিয়ানী থানাধীন সাফলীডাঙ্গা রহিমদিয়া শামসুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার মোহতামিম মাওলানা মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান (জিন্দার) গত প্রায় তিন মাস ধরে ওই মাদ্রাসার এক শিশু ছাত্রীকে বিভিন্নভাবে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ করে আসছিলেন। অভিযুক্ত মুস্তাফিজুর রহমান কাশিয়ানী থানার রামদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা যায়, গত ২৫ জুন, ২০২৬ খ্রি. সকাল আনুমানিক ১০:৪০ ঘটিকার সময় ক্লাস চলাকালীন মধ্যবর্তী টিফিনের সময় অভিযুক্ত শিক্ষক শিশুটিকে বিস্কুট ও চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার অফিস রুমে ডেকে নেন। এরপর রুমের দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন ও ধর্ষণ চালান। এর আগেও একাধিকবার একই কায়দায় শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে জানা গেছে। ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত মোহতামিম শিশুটিকে মেরে লাশ করে কবরে ফেলে দেওয়ার হুমকিও প্রদান করেন।
ধর্ষণের শিকার শিশুটি বাড়ি ফিরে তার শরীরে ও গোপনাঙ্গে তীব্র ব্যথার কথা মায়ের কাছে শেয়ার করলে পরবর্তীতে এই সংক্রান্ত সকল তথ্য ও ঘটনাটি প্রকাশ পায়।
কাশিয়ানী থানা পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এই সংক্রান্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২৩) এর ৯(১) ধারায় কাশিয়ানী থানায় একটি মামলা (মামলা নং-২৪, তারিখ: ২৭ জুন, ২০২৬ খ্রি.) রুজু করা হয়েছে।
থানা পুলিশ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে পদক্ষেপ গ্রহণ করে মূল আসামি মাওলানা মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান (জিন্দার)-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই জঘন্যতম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...