Logo Logo

ভবন সংকটে উজিরপুরের রাখালতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়

বৃষ্টিতে মাথায় পলিথিন দিয়ে চলছে শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজ


Splash Image

সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুয়ে পানি পড়ে। আর সেই বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচতে মাথার ওপর পলিথিন টেনে লাইব্রেরিতে বসে দাপ্তরিক কাজ করতে হচ্ছে শিক্ষকদের। এমনই এক জরাজীর্ণ ও বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ৮৪ নম্বর রাখালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।


বিজ্ঞাপন


বৃষ্টির দিনে চরম ঝুঁকি ও চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে এই বিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত অফিশিয়াল কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই ছাদ থেকে পানি চুইয়ে পড়ার কারণে অফিসের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান কাগজপত্র ও নথিপত্র ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে শিক্ষকেরা লাইব্রেরি কক্ষে পলিথিন টাঙিয়ে বা মাথায় দিয়ে কোনোমতে বসে অফিশিয়াল কাজ সম্পন্ন করছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন স্কুলটিতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো পাকা অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়নি। জরাজীর্ণ এই কক্ষটিতে বর্ষা বা বৃষ্টি শুরু হলেই আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সরকারি নথিপত্র ভিজে নষ্ট হওয়ার উপক্রম তৈরি হয়।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা শাহানাজ পারভীন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, উপজেলা প্রশাসনের একেবারে নাকের ডগায় স্কুলটি অবস্থিত। অথচ ভবন নির্মাণ বা জরুরি সংস্কারের জন্য প্রশাসনের নিকট বারবার লিখিত আবেদন ও আকুতি জানিয়েও কোনো বরাদ্দ মেলেনি। ফলে শিক্ষকেরা যেমন দাপ্তরিক কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন, তেমনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, স্কুলটির নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় চাহিদা তৈরি করে ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা জানান, শিক্ষকদের দুর্ভোগ লাঘবে এবং জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় সাময়িকভাবে আপাতত স্কুলটিকে সরকারিভাবে ঢেউটিন প্রদান করা হবে।

প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...