বিজ্ঞাপন
১২ আগষ্ট বুধবার বিকাল ৪ টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে সরকারি কলেজের সামনে প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী এ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। বাকেরগঞ্জের সর্বস্তরের ব্যানারে এই কর্মসূচিতে স্থানীয় শতশত নাগরিক অংশগ্রহন করে।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট রবিবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া সেতুতে বিআরটিসি বাস ও মাহিন্দ্র আলফার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্হলে বাকেরগঞ্জের বিহারীপুর গ্রামের রিফাত নামে এক কিশোর নিহত হয় এবং তার ভাই সিফাত গুরুতর আহত। এই দূর্ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রও মারাত্মক আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত ছাত্রের পরিবারকে ক্ষতি পুরনের আশ্বাস দিলেও অপর নিহত সিফাতের মৃত্যুর ক্ষতি পুরন আড়ালে থেকে যায়।
ক্ষতি পুরনের এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং রিফাত ও আহত সিফাতের পরিবারের প্রতি ন্যায় বিচার ও আর্থিক ক্ষতি পুরনের দাবীতে বাকেরগঞ্জের সর্বস্তরের জনগনের ব্যানারে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী এই অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে দু'পাশে হাজার হাজার যাত্রী নিয়ে কয়েকশত যানবাহন আটকে যায়।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তন্ময় হালদার ঘটনা স্হলে ছুটে যান এবং বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলেন। পরে সংসদ সদস্য সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সু-বিচারের আশ্বাসের ফলে ৪৮ ঘন্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বিভিন্ন বক্তারা ভাংগা থেকে কুয়াকাটা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করন, বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ফুট ওভার ব্রীজ স্থাপন, ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্স বিহীন চালকের হাতে গাড়ি না দেওয়ার দাবি জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...