বিজ্ঞাপন
গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজারের উত্তর পাশে বাটিকামারী ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আকদিয়া গ্রামের মৃত লাল মিয়া শেখের ছেলে হাসমত আলী শেখ (৭৯) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার কসবা গ্রামের শাহিন মিয়ার ছেলে মো. মাহবুবুর রহমান (২৫)।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, র্যাব-৬-এর সদর কোম্পানি (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প), গোপালগঞ্জের একটি চৌকস আভিযানিক দল নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে জানতে পারে, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাইক্রোবাসে করে একটি বড় মাদকের চালান মুকসুদপুরের দিকে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি বাটিকামারী ব্রিজসংলগ্ন সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে। সন্দেহভাজন একটি নোহা মাইক্রোবাস সেখানে পৌঁছালে র্যাব সদস্যরা সেটিকে থামার সংকেত দেন।
পরবর্তীতে গাড়িটিতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে মাদক পরিবহনের কাজে যুক্ত থাকায় নোহা মাইক্রোবাসটিও তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়। এ সময় গাড়িতে থাকা হাসমত আলী শেখ ও চালক মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো থেকে চক্রটি বিভিন্ন ছদ্মবেশে দীর্ঘদিন ধরে মাদক এনে দেশের অভ্যন্তরীণ জেলাগুলোতে সরবরাহ করে আসছিল। বয়োবৃদ্ধ মানুষকে সঙ্গে রাখা হয়েছিল মূলত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়ানোর একটি কৌশল হিসেবে।
র্যাব-৬-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার করা গাঁজা ও জব্দকৃত মাইক্রোবাসসহ গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মুকসুদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তাঁদের আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...