বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার গয়রা এলাকার আমিন উদ্দিনের ছেলে মো. রমজান আলী (৩৪), একই থানার দিঘীরপাড় এলাকার মৃত কওসার আলীর ছেলে মো. আরমান হোসেন ইউনুস (৩০) এবং কাগমারী এলাকার মো. মালেক মোড়লের ছেলে মো. আরিফ হোসেন (৩২)। পুলিশ জানিয়েছে, রমজান আলীকে এই মাদক চালানের মূল কারবারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে আরমান ট্রাকচালক এবং আরিফ হেলপার হিসেবে কাজ করতেন।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার সময় দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালের সামনে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে একটি ট্রাক পাটুরিয়া ফেরিঘাট হয়ে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালের সামনে ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে ডিবি পুলিশের আভিযানিক দল।
পরে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ‘ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-১১১৮’ নম্বরের একটি টাটা কার্গো ট্রাকের গতিরোধ করা হয়। ট্রাকটির চালক, হেলপার ও চালকের পেছনের বক্সে থাকা এক ব্যক্তির কথাবার্তা ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তাঁরা পালানোর চেষ্টা করলে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তিনজনকে আটক করেন।
পরবর্তীতে ট্রাকের বক্স তল্লাশি করে ১৫০টি নীল রঙের জিপার ব্যাগে রাখা মোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটি ছাড়াও ‘রেডমি-১২-৫জি’ ও ‘টেকনো কেএম৫’ মডেলের দুটি স্মার্টফোন এবং ‘উইনস্টার ডব্লিউ৫০০এমআইডি’ মডেলের একটি বাটন ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিক্রির উদ্দেশ্যে এই ইয়াবার চালানটি পরিবহন করা হচ্ছিল এবং এ কাজে ট্রাকচালক ও হেলপার সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন জানিয়েছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জেলা পুলিশের এই ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...