বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা স্কুলের ৩৬ নম্বর ভোটকেন্দ্রে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে।
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে আঘাত গুরুতর হওয়ায় জাহিদ নামক একজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে প্রার্থীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) খায়রুল ও কর্মী সাইফুলসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন।
আহত কর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আদাখোলা কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির খবর পেয়ে ড. ফয়জুল হক সমর্থকদের নিয়ে সেখানে যান। কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও বিশৃঙ্খলার একপর্যায়ে প্রার্থীকে লক্ষ্য করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়েই কর্মীরা আহত হন।
হামলার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ড. ফয়জুল হক অভিযোগ করেন, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের নির্দেশে বড়ইয়া ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্র দখল করে জামায়াতের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। হামলাকারীরা যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তার কিছু উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
বড়ইয়া ইউনিয়নে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম রেজা সজীব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৩৬ নম্বর কেন্দ্রে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। সেখান থেকে তাৎক্ষণিকভাবে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান আছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...