বিজ্ঞাপন
শেখ একরিমা সাবরি বলেন, রমজান মাস মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র এবং ইবাদতের সময়। কিন্তু দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আল-আকসা মসজিদে ইবাদত করতে ইচ্ছুক মুসলিমদের বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে ইসরায়েল প্রয়োজনে কঠোর শক্তি প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘হারেৎজ’-এর এক প্রতিবেদনেও এই পরিকল্পনার সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবরুদ্ধ পূর্ব জেরুজালেম শাখার পুলিশ কমান্ডার মেজর জেনারেল আভশালোম পেলেড এবং ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গিভির এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন। হারেৎজ আরও মন্তব্য করেছে যে, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন-গিভিরের এই ধরণের পদক্ষেপ মূলত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার একটি চেষ্টা।
ইতোমধ্যেই আল-আকসা চত্বরের আশেপাশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। গত কয়েক দিনে বেশ কিছু মুসলিম তরুণকে মসজিদে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, রমজান শুরু হলে এই বিধিনিষেধের মাত্রা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
উল্লেখ্য, আল-আকসা মসজিদ মুসলিমদের কাছে মক্কার কাবা এবং মদিনার মসজিদে নববির পর তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুসলিমদের প্রথম কেবলা ছিল এবং ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী রাসুল (সা.) মেরাজে যাওয়ার আগে এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে পূর্ব জেরুজালেম ও আল-আকসা মসজিদ ইসরায়েলের দখলে রয়েছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...