Logo Logo

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা

ইরান থেকে মাত্র আড়াই হাজার কি. মি দূরে বিশ্বের সর্ববৃহৎ রণতরী


Splash Image

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও অত্যাধুনিক মার্কিন রণতরী 'ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড'। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রণতরীটি গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ইরান থেকে মাত্র আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে।


বিজ্ঞাপন


গত কয়েকদিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধের শঙ্কা প্রবল হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের নির্দেশ দেন। ওয়াশিংটন চাইছে ইরানকে তাদের দেওয়া শর্ত মেনে নতুন চুক্তিতে বাধ্য করতে। এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ বাতিল করা, দূরপাল্লার মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা কমানো এবং হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ করা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরান যদি এই শর্তসমূহ মেনে না নেয়, তবে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবেই মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকেই অবস্থানরত একটি রণতরী ও যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহরের সঙ্গে যুক্ত হতে আসছে ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড।

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রণতরীটি গ্রিসের দ্বীপে পৌঁছালেও এ বিষয়ে গ্রিস প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা এথেন্সে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

তবে সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া উল্লেখ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় রণতরীর অবস্থান বেশ বিরল ঘটনা। এসব যুদ্ধজাহাজে কয়েক ডজন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং হাজার হাজার সেনাসদস্য মোতায়েন থাকে।

এর আগে গত বছরের জুনে যখন মার্কিন বিমানবাহিনী ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছিল, তখনও এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছিল। ফলে বর্তমান এই রণসজ্জাকে ইরানের জন্য চরম সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: এএফপি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...