বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এবং দুইজন মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে এই সুপরিকল্পিত হামলা চালানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মূলত ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোকে অকেজো করে দিতেই এই অভিযান। তবে অভিযানের কৌশলগত বিস্তারিত তথ্য তিনি প্রকাশ করতে রাজি হননি। অপর এক মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এই হামলার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পক্ষ থেকে আসা সামরিক হুমকি মোকাবেলা করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনকৃত মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করা।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী তেহরান ছাড়াও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহান, কোম, কারাজ এবং কারমানশাহতে সিরিজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। ভোর থেকেই এসব শহরের আকাশে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে।
তবে এই ভয়াবহ যৌথ হামলায় ইরানের ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিংবা কতজন হতাহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি প্রদান করা হয়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্য এক দীর্ঘস্থায়ী এবং ভয়াবহ যুদ্ধের মুখে পড়তে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও স্থিতিশীলতাকে চরম সংকটে ফেলবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...