চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই স্পষ্ট করে জানান, ইরানকে কোনো ধরনের অস্ত্র সরবরাহ বা সামরিক সহযোগিতা করছে না বেইজিং। তিনি বলেন, চীন শুরু থেকেই এই পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
চীনের জন্য এই যুদ্ধ কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। দেশটি তাদের মোট ব্যবহৃত তেলের প্রায় ৭০ শতাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমদানি করে, যার একটি বড় অংশ আসে ইরান থেকে। ইরান ছাড়াও ইরাক, সৌদি আরব ও কুয়েত থেকে জ্বালানি আমদানির ওপর বেইজিং ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ফলে এই অঞ্চলে অস্থিরতা চীনের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন ইতোমধ্যে ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ওয়াং ই সোমবার ওমান, ইরান এবং ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। আলোচনা শেষে তিনি মন্তব্য করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কূটনৈতিক সমাধানের পথ থেকে সরে এসে যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছে।
বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। তবে যুদ্ধের এই সংকটকালীন সময়ে কোনো পক্ষকেই সামরিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা তাদের নেই।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...