মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। ছবি: নেভি টাইমস
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৪ মার্চ) ভোরে এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ এর ধারাবাহিকতায় এই সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইরানের দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি কৌশলগত মার্কিন সামরিক সম্পদের ওপর এই আক্রমণ চালানো হয় বলে তেহরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইআরজিসির নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটি যখন একটি জ্বালানি পরিবাহী ট্যাংকার থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অভিযানে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘কদর-৩৬০’ এবং ‘তালাইয়েহ’ নামক উন্নত মানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আইআরজিসি দাবি করেছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও জ্বালানি ট্যাংকার—উভয়েই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছে। হামলার পর ভারত মহাসাগরের আকাশে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।
ইরানি সামরিক বাহিনীর মতে, এই অভিযান মূলত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক আগ্রাসনের একটি চূড়ান্ত ও ‘দাঁতভাঙা’ জবাব।
ইরান আরও দাবি করেছে যে, তাদের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার একটি অংশ। হামলার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় মার্কিন নৌবাহিনীর উদ্ধার তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে বলে কিছু অসমর্থিত সূত্র দাবি করেছে।
তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখন পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতি বা হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত মহাসাগরে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের এই সরাসরি আঘাত মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও বিপজ্জনক মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে পুরো অঞ্চল জুড়ে যুদ্ধের দামামা আরও প্রকট হয়েছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...