বিজ্ঞাপন
ইরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, এই সংঘাতের জেরে পুরো অঞ্চলের সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে। হামলার মুখে তেল আবিব ও জেরুজালেমজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে।
উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় নিহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে ইরানে ১,০৪৫ জনের বেশি এবং লেবাননে অন্তত ৭০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা ১১ জন এবং যুদ্ধে ছয় মার্কিন সেনার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেট জানিয়েছেন, সাবমেরিনের আঘাতে ডুবে যাওয়া ইরানি যুদ্ধজাহাজ থেকে ৮৭ জনের মরদেহ ও ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য পর্যটক ও যাত্রী আটকা পড়েছেন।
প্রতিবেশী দেশগুলোও এখন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে। কাতারে মার্কিন দূতাবাসের আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আকাশে যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে এবং কুয়েত উপকূলে বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে পুরো অঞ্চলটি এখন এক অনিশ্চিত ধ্বংসযজ্ঞের মুখে দাঁড়িয়ে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...