বিজ্ঞাপন
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাদান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জনের বিরুদ্ধে সরাসরি ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্য প্রদানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ধৃতদের মধ্যে একাধিক আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্যও রয়েছে, যাদের মূল কাজ ছিল বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালানো।
উল্লেখ্য, লন্ডনভিত্তিক ওই চ্যানেলটিকে ২০২২ সালে 'সন্ত্রাসী সংস্থা' হিসেবে ঘোষণা করেছিল তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই গণ-গ্রেপ্তারের ঘটনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘ ২১ দিনের সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের 'অপারেশন এপিক ফিউরি' এবং ইসরায়েলের 'অপারেশন রোয়ারিং লায়ন' নামক সামরিক অভিযান শুরু হয়।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই যৌথ হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশে (সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান) অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
যৌথ বাহিনীর এই হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করেছে ইরান সরকার।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...