বিজ্ঞাপন
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এর মাত্র একদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনসহ পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেন, মিত্ররা যদি এই অঞ্চলে প্রয়োজনীয় সামরিক সহায়তা প্রদান না করে, তবে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর (NATO) ভবিষ্যৎ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
ট্রাম্পের এমন পরোক্ষ হুমকির জবাবে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিজেদের ও মিত্রদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করাই বর্তমানে যুক্তরাজ্যের প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ব্রিটেন নিজেকে কোনো ব্যাপক সংঘাতের অংশ হতে দেবে না। বরং এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে একটি দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবে লন্ডন।
এদিকে, ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের সাথে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই বলে কঠোর অবস্থান জানিয়েছে জার্মানি। জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, “জার্মানি এই যুদ্ধে অংশ নেবে না। এমনকি সামরিক উপায়ে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার কোনো আন্তর্জাতিক অভিযানেও বার্লিন যোগ দেবে না।” যতদিন এই যুদ্ধ চলবে, জার্মানি তার নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
জার্মানির পাশাপাশি গ্রিসও হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানে জড়াবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। গ্রিক সরকারের মুখপাত্র পাভলোস মারিনাকিস জানিয়েছেন, এই অঞ্চলের সামরিক সংঘাতে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।
ইউরোপীয় দেশগুলোর এমন অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে কিছুটা বিভক্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সূত্র: এএফপি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...