বিজ্ঞাপন
রোববার (১৫ মার্চ) প্রকাশিত বার কাউন্সিলের চূড়ান্ত ফলাফলে এই তথ্য জানা যায়। অ্যাডভোকেটশিপ অর্জনকারী ওই সাত মেধাবী শিক্ষার্থী হলেন— আনিকা আশরাফ প্রতীতি, রাফি উল ওসমান, ফাহাদ আহমেদ, তাজওয়ার বিন মালেক অর্ণব, মো. ইরফানুল খলিলুল্লাহ, সুমাইয়া তামান্না এবং ইশতিয়াক আহমেদ দিহান। বার কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী, উত্তীর্ণ এই প্রার্থীরা এখন দেশের যেকোনো অধস্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনা করতে পারবেন। তবে এ জন্য আগামী ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।
মেরিটাইম ল’ বিভাগটি চালুর পর এখনও এক যুগ পূর্ণ হয়নি। এই অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের এমন অর্জনে উচ্ছ্বসিত বিভাগের শিক্ষক আবু জাফর তৌফিক আহমেদ আহাদ। তিনি বলেন, “নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের শিক্ষার্থীদের এই অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করি, তাঁরা ভবিষ্যতে আইন পেশায় আরও ভালো করবেন এবং দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।”
অ্যাডভোকেটশিপ অর্জন করার এই দীর্ঘ পথচলায় পরিবার ও শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। তাঁদের মধ্যে রাফি উল ওসমান বলেন, “মায়ের দোয়া ও শিক্ষকদের সঠিক নির্দেশনায় আমার এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকে আমি আমার দায়িত্ব মনে করি।” আরেক শিক্ষার্থী আনিকা আশরাফ প্রতীতি তাঁর শিক্ষক, বাবা-মা ও জীবনসঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “একজন অ্যাডভোকেট হওয়া প্রতিটি আইন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, যা আজ পূরণ হলো।” মো. ইরফানুল খলিলুল্লাহও এই দীর্ঘ যাত্রায় পাশে থাকার জন্য পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানান।
- সাদিকুর রহমান সাদি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...