বিজ্ঞাপন
আঘাত হানা বস্তুটি ঠিক কী ছিল, সে সম্পর্কে আইএইএ বা ইরান কোনো পক্ষই নির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি। তবে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি শক্তিশালী ড্রোন ছিল।
আইএইএ-এর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হামলায় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি। তবে সংস্থাটির মহাপরিচালক এ ধরনের স্পর্শকাতর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা বন্ধের জোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, পরমাণু কেন্দ্রে হামলার ফলে কোনো বিস্ফোরণ ঘটলে তা বৈশ্বিক পর্যায়ে বিশাল পরিবেশগত ও মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
এদিকে, ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। তেহরানের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো সব প্রকার আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ এ ধরনের হামলার ফলাফল হতে পারে ভয়াবহ।
বিবৃতিতে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে যদি আবারও এমন হামলার চেষ্টা করা হয়, তবে তার ফলে পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে এক অপূরণীয় বিপর্যয় দেখা দেবে।
বিস্ফোরকবাহী এই উড়ন্ত বস্তুটি কোথা থেকে উড়ে এসেছিল বা এর পেছনে সুনির্দিষ্টভাবে কার হাত রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র : সিএনএন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...