বিজ্ঞাপন
গত মঙ্গলবার আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর পাঁচ দিন দেশে অবস্থান করলেও এতদিন তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গত ১০ মাসের দায়িত্বকাল এবং তাকে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে কথা বলেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।
গত বছরের মে মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ফারুক আহমেদ-কে সরিয়ে আমিনুল ইসলামকে বিসিবির অন্তর্বর্তী সভাপতি করা হয়। পরে অক্টোবরে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি পূর্ণ মেয়াদের সভাপতি হন। তবে সেই নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল শুরু থেকেই।
আমিনুল বলেন, “আমি অনেক দিন দেশের বাইরে ছিলাম। বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কাজ করেছি। আমার মনে হয়েছিল, আমাদের দেশে খেলা ও রাজনীতি আলাদা থাকবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা বলেছিলাম, খেলোয়াড়েরা রাজনীতি করবে না। কিন্তু রাজনীতিবিদরা কেন খেলায় আসবে? এটা বড় প্রশ্ন।” বোর্ড ভেঙে দেওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি জানান, সেদিন দুপুরেও পূর্বাচল স্টেডিয়াম পরিদর্শনে ছিলেন। বিকেলে বোর্ডে এসে হঠাৎ জানতে পারেন কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
তার ভাষায়, “হঠাৎ করে মনে হলো, আমাদের অফিসটা রাজনৈতিক অফিসে পরিণত হয়েছে। শত শত লোক আসা-যাওয়া শুরু করল। একপর্যায়ে আমরা বাধ্য হয়ে বোর্ড ছেড়ে আসি।” তিনি দাবি করেন, গত বছরের নির্বাচন বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী হয়েছে। তাই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বোর্ড ভেঙে দেওয়া এবং নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনকে তিনি অবৈধ মনে করেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিসিবি নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক, যা দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে অস্থিরতা আরও বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...