বিজ্ঞাপন
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার প্রতিশ্রুতি দেন।
আন্দোলনরত প্রার্থীদের ভোগান্তির কথা শুনে প্রতিমন্ত্রী দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। সাত সদস্যের ওই প্রতিনিধি দলে ছিলেন— দেবব্রত, জান্নাতুল ইসলাম টনি, পারভেজ, আফসানা, জান্নাতুল ফেরদৌস শান্তা, ফারজানা ও শিশির।
আন্দোলনকারীরা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও যোগদান ও পদায়ন প্রক্রিয়া থমকে আছে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দ্রুত যোগদানের দাবিতে এদিন সকাল থেকেই জাতীয় জাদুঘরের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রার্থীদের অভিযোগ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পুনঃতদন্ত শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছিল। এরপর তারা প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়ে মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করেছেন। অনেকেই এই চাকরিতে যোগদানের আশায় আগের কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন, ফলে বর্তমানে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপের অভাবে পরিস্থিতি এখন ‘প্রহসনের’ মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
এর আগে বেলা ১১টায় কর্মসূচি শুরুর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই শাহবাগে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে চাইলে উভয়পক্ষের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের ব্যারিকেডের মধ্যেই তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চালিয়ে যান।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে আড়াই মাস পার হলেও এখনো যোগদানের নির্দেশনা না পাওয়ায় দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...