বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। হঠাৎ এই কম্পনে জনমনে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকায়। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ও মাত্রা সম্পর্কে একই ধরনের তথ্য প্রদান করেছে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ভূ-পৃষ্ঠের অনেকটা গভীরে হওয়ায় এবং এর মাত্রা মৃদু থাকায় কোথাও কোনো অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি। ভোরে যখন বেশিরভাগ মানুষ ঘুমে ছিলেন, তখন এই মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।
গত কয়েক মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে ছোট ও মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হচ্ছে। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘনঘন এমন কম্পন বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস কি না, তা নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রবণতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...