Logo Logo

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড


Splash Image

দেশের বাজারে সোনার দাম আরও এক দফা বৃদ্ধি পেয়ে নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ দাম।


বিজ্ঞাপন


শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে। মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাজুস এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি অন্যান্য মানের সোনার দামও আনুপাতিক হারে বাড়ানো হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।

সাম্প্রতিক সময়ে সোনার দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিন দফায় ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে মোট ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বৃদ্ধি পেল।

সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় বাজারে সরবরাহ সংকটের কারণেই সোনার দাম এভাবে লাগামহীনভাবে বাড়ছে। আজ সকাল ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সোনার পাশাপাশি এবার রুপার দামও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে যথাক্রমে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা ও ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার দামও ১১৭ টাকা বেড়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

ক্রমাগত দাম বাড়ার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অলঙ্কার কেনার বিষয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জুয়েলারি শিল্পের উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, উচ্চমূল্যের কারণে বাজার স্থিতিশীল না হলে দীর্ঘমেয়াদে এই শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...