বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা মোট ৩০২ কোটি বা ৩.০২ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় এবার রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৯.৫ শতাংশ। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৫২ কোটি ডলার।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎসবের মৌসুমে পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে প্রবাসীদের মধ্যে দেশে বেশি অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট ২ হাজার ২৪৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.৪ শতাংশ বেশি।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের শেষ দিক থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে দেশে মোট প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫.০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আইএমএফ-এর বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী এর পরিমাণ ৩০.২৮ বিলিয়ন ডলার।
ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে অর্থ পাচার ও অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা কমে আসায় বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকাও এই প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...