বিজ্ঞাপন
আজ বুধবার (৮ জুলাই) সকালে চৌমুহনী প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী প্রবাসী নিজে উপস্থিত থেকে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তাজুল ইসলাম লিটন জানান, সৌদি আরবে অবস্থানকালে অভিযুক্ত আবু জাফর মোহাম্মদ ফারুকের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে যৌথ ব্যবসায় অংশীদার করার প্রলোভন ও আশ্বাস দেখালে তিনি ফারুককে নগদ ৭০ হাজার রিয়াল প্রদান করেন। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তাকে ব্যবসায় অংশীদার করা হয়নি এবং ব্যবসার কোনো লভ্যাংশও দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ফারুক নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এই নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগী প্রবাসী বাধ্য হয়ে সৌদি আরবের আদালতে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘ শুনানি শেষে সৌদি আদালত প্রবাসীর পক্ষে ৫০ হাজার রিয়াল ফেরত দেওয়ার রায় প্রদান করেন। কিন্তু অভিযুক্ত ফারুক উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা বলে সময় নিলেও শেষ পর্যন্ত কোনো আপিল করেননি। এমনকি আদালতের আইনি নির্দেশনা অনুযায়ী পাওনা টাকা পরিশোধ না করেই গোপনে বাংলাদেশে চলে আসেন।
ভুক্তভোগী প্রবাসীর অভিযোগ, ফারুক দেশে ফিরে আসার পর তাঁর কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা উল্টো লিটন এবং তার পরিবারকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের প্রাণনাশেরও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, যার কারণে বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে তাঁর কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে প্রতারকের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবু জাফর মোহাম্মদ ফারুকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...