বিজ্ঞাপন
নিখোঁজ শাহিন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরদুয়ানী এলাকার ফুল মিয়ার মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাবার নাম আলম মিয়া। তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার শাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া এলাকার বাসিন্দা।
জানা গেছে, এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারে মোট ১০ জন জেলে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে বঙ্গোপসাগরের মোহনা এলাকায় অবস্থানকালে কোনো এক সময় শাহিন ট্রলার থেকে পড়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রলারে থাকা অন্য জেলেরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেননি। সকালে জাল টানার সময় সবাইকে ডাকাডাকি করা হলে শাহিনকে পাওয়া যায়নি। পরে ট্রলারে থাকা জেলেরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
শাহিন নিখোঁজের খবর বাড়িতে পৌঁছালে তাঁর স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সাগরে পড়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
স্বজনরা শাহিনকে জীবিত উদ্ধারের আশায় অপেক্ষা করছেন। একই সঙ্গে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মালিক ও মাঝি ফুল মিয়া বলেন, রাতে জাল ফেলে ট্রলারে থাকা সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে জাল টানার সময় সবাইকে ডাকাডাকি করা হলে শাহিনকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কোনো এক সময় ট্রলার থেকে সাগরে পড়ে গেছেন।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, “বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। নিখোঁজের খবর আমরা পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।”
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের পাথরঘাটা স্টেশনের কমান্ডারের সরকারি ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলীম বলেন, “এ রকম একটি ঘটনা আমরা জানতে পেরেছি। যেহেতু নিখোঁজ জেলের বাড়ি মঠবাড়িয়া উপজেলায়, তাই আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।”
নিখোঁজ শাহিনকে উদ্ধারে দ্রুত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তাঁর স্বজন ও স্থানীয়রা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...