বিজ্ঞাপন
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বলেন, “হাওরাঞ্চলে ফসল উৎপাদন বাড়াতে ফসলরক্ষা বাঁধের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিবছর সময়মতো এসব ডুবন্ত বাঁধ মেরামত ও শক্তিশালী করা গেলে বোরোসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাখতে এই অঞ্চল কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত এ এলাকার খোঁজখবর রাখছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি বছর যেন বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার কাজ সময়মতো, সঠিকভাবে এবং সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্তভাবে সম্পন্ন হয়—সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। অতীতে বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছিল, ভবিষ্যতে তা ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।
মাঠপর্যায়ে কাজের মান, নকশা অনুযায়ী বাস্তবায়ন, শ্রমিক ব্যবস্থাপনা এবং বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন তিনি। একই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা শোনেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. আব্দুল হক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, হাওরাঞ্চলে আগাম বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় সময়মতো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের তত্ত্বাবধানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে এসব কাজ বাস্তবায়িত হলে কৃষকের ক্ষতি কমবে এবং জাতীয় খাদ্য উৎপাদন আরও শক্তিশালী হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...