বিজ্ঞাপন
সৈয়দা নাখলু আক্তার মেয়ের এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে জানান, রাজনৈতিক আদর্শ ভিন্ন হলেও পারিবারিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এর কোনো প্রভাব নেই। তিনি বলেন, “রাজনীতি ও আদর্শ যার যার ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু মা হিসেবে মেয়ের এই সাফল্যে আমি গর্বিত। একজন মা যেভাবে মেয়ের উন্নতিতে খুশি হন, আমার অনুভূতিও ঠিক তেমন।”
নাদিয়া পাঠান পাপন মূলত ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত। রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকে তিনি বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিক্রমায় সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে তার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
নাদিয়ার এই মনোনয়ন প্রাপ্তি নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, “রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।” দলীয় ভিন্নতা থাকলেও এলাকার সন্তান হিসেবে তিনি নাদিয়ার সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
তবে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির কিছু ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ নারী নেত্রীর মধ্যে এই মনোনয়ন নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, যারা মাঠ পর্যায়ে বছরের পর বছর দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের আরও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন ছিল। তৃণমূলের অবদান বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে মনোনয়নে ভারসাম্য আনার দাবি জানান তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই পরিবারে ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের চর্চা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির একটি দিক তুলে ধরে। নাদিয়া পাঠান পাপনের এই মনোনয়ন দলীয় আনুগত্য ও পারিবারিক সম্পর্কের এক অনন্য সমীকরণ হিসেবে এখন বিজয়নগরের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...