বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, খিলপাড়া বাজার থেকে শংকরপুর গ্রামের ওপর দিয়ে ইটপুকুরপাড় হয়ে দেলিয়াই পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটি প্রায় ১৪-১৫ বছর আগে পাকাকরণ করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ এই সময়ে কোনো রক্ষণাবেক্ষণ বা সংস্কার কাজ না হওয়ায় সড়কটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পিচ ও কার্পেটিং উঠে গিয়ে পুরো রাস্তা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য বড় বড় খানাখন্দ।
সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে শংকরপুর পান্ডা বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে প্যালাসাইটিং না থাকায় প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ ফুট রাস্তা সম্পূর্ণ ধসে গেছে। এছাড়া হাসিম ব্যাপারীর বাড়ির সামনে থেকে রাস্তার মাথা পর্যন্ত দক্ষিণ পাশ এবং ইটপুকুর পাড় থেকে দেলিয়াই পর্যন্ত রাস্তার একাংশ সংলগ্ন খালের দিকে ধসে পড়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অন্তত ৫০০ শিক্ষার্থীসহ ৭ থেকে ৮টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বর্তমানে খানাখন্দ ও ভাঙনের কারণে ঝুঁকি নিয়ে শত শত হালকা ও ভারী যানবাহন চলাচল করছে। এতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে এবং যানবাহনের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন জানান, দীর্ঘ সময় ধরে সড়কটি অচল হয়ে থাকলেও এটি মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নুরুল করিম নামের এক শিক্ষার্থী জানায়, রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে সাইকেল নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করাও এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, "সড়কটির সংস্কার এখন অত্যন্ত জরুরি। আমি দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাব।"
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
প্রতিবেদক- মোঃ সিরাজুল ইসলাম হাসান, চাটখিল, নোয়াখালী
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...