বিজ্ঞাপন
‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা) ও ‘ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’-এর আয়োজনে এবং পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের বাস্তবায়নে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, বন্যপ্রাণী রক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে টাইগার জাকিরের ভূমিকা অনুকরণীয়। বিশেষ করে লোকালয় থেকে বিপদগ্রস্ত অজগরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী উদ্ধার, চিকিৎসা এবং নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করার সাহসী উদ্যোগ তাকে অনন্য পরিচিতি এনে দিয়েছে। তিনি এ পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার অজগর সাপ উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করেছেন।
পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মির্জা শহিদুল ইসলাম খালেদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ ফারুক, মাওলানা মনিরুল ইসলাম এবং উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন এসমে। বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণীর গুরুত্ব অপরিসীম এবং জাকির হোসেনের মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষের কারণেই আজ উপকূলের প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা পাচ্ছে।
সম্মাননা গ্রহণের পর এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় জাকির হোসেন মুন্সি বলেন, “আমি এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি অজগর সাপ উদ্ধার করেছি এবং বন উজাড় ও বন্যপ্রাণী নিধনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছি। এই সম্মাননা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। এটি আমাকে ভবিষ্যতে প্রাণী রক্ষায় এবং মানুষকে সচেতন করতে আরও বেশি অনুপ্রেরণা জোগাবে।” তিনি এই উদ্যোগের জন্য ‘ধরা’ এবং ‘ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক আব্দুর রহিম, সাংবাদিক ইমাম হোসেন, নজমুল হক সেলিম এবং সমাজকর্মী মেহেদী শিকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...