বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৫ মে) জেলার বিভিন্ন পশুর হাট সরেজমিনে ঘুরে দেখে তিনি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
হাট পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার বলেন, কোরবানি পশুর হাটে আগত ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জানমালের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে হাটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশি ডিউটি, নিয়মিত টহল এবং পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপক হারে জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পশুর হাটকে কেন্দ্র করে জাল নোট চক্র, চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী, মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির মতো সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রুখে দিতে পুলিশ কঠোর ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পশু ব্যবসায়ীরা যাতে কোরবানির পশু বিক্রির অর্থ কোনো প্রকার ঝুঁকি ছাড়া নিরাপদে নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেন, সে বিষয়েও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সর্বস্তরের জনগণের সামগ্রিক নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত এবং সড়কে-হাটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের এই সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ও কঠোর নজরদারি উৎসবের শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন পুলিশ সুপার। এ সময় তিনি জেলার সর্বস্তরের মানুষের ঈদ আনন্দময় ও উৎসবমুখর হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপারের সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশিদসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...