বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আলমগীরের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। কম দামে মাংস বিক্রির পাশাপাশি তিনি মাংসের গুণগত মান বজায় রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। এই সুনামের কারণে শুধু জলিলপাড় নয়, বরং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও প্রতিদিন অসংখ্য ক্রেতা মাংস কিনতে তার দোকানে আসছেন।
দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে কম দামে ভালো মানের গরুর মাংস পাওয়া সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য অনেক বড় স্বস্তির বিষয়। মাংসের মান ও দাম দুটোই সাশ্রয়ী হওয়ায় তারা নিয়মিত আলমগীরের দোকান থেকেই মাংস কেনেন।
ব্যবসায়িক এই উদ্যোগ সম্পর্কে আলমগীর কসাই বলেন, “সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা করেই আমি সীমিত লাভে মাংস বিক্রি করছি। ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের সেবা করাও আমি আমার নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বর্তমান সময়ে যেখানে অধিক মুনাফা লোটার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, সেখানে আলমগীর কসাইয়ের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। তারা মনে করেন, ব্যবসায় লাভের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার এমন মানবিক দৃষ্টান্ত অন্য ব্যবসায়ীদেরও ইতিবাচকভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারে।
সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক এই উদ্যোগের কারণে আলমগীর কসাই এখন এলাকায় একজন মানবিক ও জনবান্ধব ব্যবসায়ী হিসেবে অনন্য পরিচিতি লাভ করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...