বিজ্ঞাপন
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার এম এম সোহাগ মোল্যা জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে অত্যন্ত স্বল্প সময়ে নির্ভুল ও নিখুঁত রিপোর্ট প্রদান করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।
সরেজমিনে জানা গেছে, এই কেন্দ্রটিতে সম্পূর্ণ নতুন জাপানি ও জার্মান প্রযুক্তির ডিজিটাল মেশিনের সাহায্যে বিভিন্ন জটিল রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এখানে ডিজিটাল এক্স-রে (ডিআর), ইসিজি, ইকো-কার্ডিওগ্রাম, ৪-ডি কালার ডপলার, কালার আল্ট্রাসনোগ্রামসহ বায়োকেমিস্ট্রি, মাইক্রোবায়োলজি, হরমোন পরীক্ষা, ব্লাড কালচার, ইউরিন কালচার, স্টুল কালচার ও ফাঙ্গাস কালচারসহ সব ধরনের আধুনিক প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার সুব্যবস্থা রয়েছে।
এছাড়াও এখানে বিদেশগামীদের মেডিকেল চেকআপ, ফুল বডি চেকআপ প্যাকেজ এবং জরুরি রোগীদের জন্য নেবুলাইজার সুবিধা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন নামী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এখানে নিয়মিত চেম্বার করছেন। বিশেষ করে নারী রোগীদের সুবিধার্থে মহিলা চিকিৎসকের মাধ্যমে আল্ট্রাসনোগ্রামসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর পরীক্ষা সম্পন্ন করার বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ও যাতে সেবা বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক জেনারেটর সুবিধা। ফলে রোগীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
ল্যাবটিতে আসা স্থানীয় কয়েকজন সেবাগ্রহীতা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অন্যান্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তুলনায় এখানে কম খরচে দ্রুত রিপোর্ট ও উন্নত পরিবেশ পাওয়া যায়। এ কারণেই শুধু জেলা শহর নয়, বরং বিভিন্ন দূরবর্তী উপজেলা থেকেও রোগীরা এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে ছুটে আসছেন।
গোপালগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবা–সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে মোল্যা হার্ট কেয়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি জেলায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা বিস্তারে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। আগামীতেও প্রতিষ্ঠানটি আরও নিত্যনতুন উন্নত সেবা চালুর মাধ্যমে মফস্বলের স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতিতে অনন্য অবদান রাখবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...