বিজ্ঞাপন
রোববার (৭ জুন) রাতে ঝালকাঠি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৬৪ বাহের রোড এলাকায় অবস্থিত ‘জি আর কম্পিউটার সেন্টার’-এর সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
সুমন চক্রবর্তী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় কালী মন্দির এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত তারাপদ চক্রবর্তীর ছেলে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুমন চক্রবর্তী পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই-নিঃ) মো. তারিফুল ইসলাম বাদী হয়ে সুমন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মাদকসহ গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট মন্দির কর্তৃপক্ষ জরুরি বৈঠক করে তাকে পুরোহিতের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।
কালীবাড়ি মন্দির কমিটির সভাপতি অসীম রঞ্জন রায় বলেন, “সুমন চক্রবর্তী মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। গ্রেপ্তারের খবর পাওয়ার পরপরই কমিটির সিদ্ধান্তে তাকে পুরোহিতের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।”
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ হাসান জানান, সুমন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...