বিজ্ঞাপন
আজ সোমবার (১৫ জুন) সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বুরুয়াবাড়ি গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী ইকবাল সিকদার গা-ঢাকা দিয়েছেন।
নিহত শিল্পী বেগমের ভাই ছারোয়ার কাজী অভিযোগ করে জানান, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ নানা অজুহাতে তাঁর বোন শিল্পীর ওপর প্রায়ই অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন ভগ্নিপতি ইকবাল সিকদার। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার রাতে কোনো এক সময় শিল্পী বেগমকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ডটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মরদেহটি বাড়ির গোয়ালঘরে ফেলে রেখে ইকবাল সিকদার বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
আজ সোমবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। স্বামীর পক্ষ থেকে এটি আত্মহত্যা দাবি করা হলেও নিহতের ভাইয়ের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মৃত্যুর প্রকৃত ও সঠিক কারণ জানা যাবে। রিপোর্ট ও অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...