বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১৯ জুন) তিনি প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন এবং কাজের সার্বিক অগ্রগতি, গুণগত মান ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন।
পরিদর্শনকৃত প্রকল্পটির নাম ‘পারঝনঝনিয়া নিজাম শেখের ঘের হতে ঠান্ডা মজুমদারের সীমানা পর্যন্ত বার খাল খনন ও পুনঃখনন প্রকল্প’। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) এবং সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় এটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কাজের বিবরণী থেকে জানা গেছে, খননকৃত খালটির দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার, উপরিভাগে প্রস্থ ৩০ ফুট এবং গভীরতা ১০ ফুট। বর্তমানে এই প্রকল্পটির প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রকল্প এলাকায় ইতিমধ্যে ১০০টি ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক খাল খনন কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি ও গুণগত মান নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সুচারুভাবে সম্পাদনের ওপর জোর দেন। তিনি স্থানীয় কৃষিজীবী ও সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত এই প্রকল্পটির প্রত্যাশিত সুফল ভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসকের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শোভন সরকার, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও), সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই খালটি খনন ও পুনঃখননের ফলে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে খালের পানিতে ঘেরে মাছ চাষ, হাঁস পালন, পাড়ের জমিতে সবজি উৎপাদন এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, যা স্থানীয় অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন, সম্পূর্ণ কাজ শেষ হলে এলাকার কৃষি ও মৎস্য খাতে এক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...