বিজ্ঞাপন
রবিবার (২১ জুন) সাগরিকায় টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু রানবন্যার উইকেটে শুরু থেকেই ডট বল আর উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার উৎসবে মাতেন টাইগার ব্যাটাররা। দ্বিতীয় ওভারেই তামিম ইকবাল (০) দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হন এবং সাইফ হাসান (১) ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
তিনে নামা পারভেজ হোসেন ইমন ১৩ বল খেলে মাত্র ১ রান করে নাথান এলিসের শিকার হন। এই মন্থর ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্তত ১০ বল খেলা ব্যাটারদের মধ্যে সর্বনিম্ন স্ট্রাইকরেটের লজ্জার রেকর্ড গড়েন ইমন। এর আগে ২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই ১১ বলে ২ রান করা সৌম্য সরকারের রেকর্ডটি আজ ভেঙে যায়।
মাত্র ১১ রানে ৩ উইকেট এবং ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসা বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টির সর্বনিম্ন সংগ্রহের (৭০ রান) লজ্জা থেকে বাঁচান অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। নুরুল হাসান সোহান (৬) এবং শামীম পাটোয়ারী (৩) দ্রুত ফিরলেও রিশাদ হোসেনকে (১৬) নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন হৃদয়। শেষ দিকে টেল-এন্ডারদের সহায়তায় ৫১ বলে খেলেন ৬১ রানের এক লড়াকু অপরাজিত ইনিংস। হৃদয়ের এই একক নৈপুণ্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান তুলতে সক্ষম হয় ফিল সিমন্সের শিষ্যরা।
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে চার ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন স্পেনসার জনসন। এছাড়া এলিস ও জাম্পা ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
১১০ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই শরিফুল ইসলামকে ৪টি বাউন্ডারি মেরে ১৭ রান তোলেন অজি ওপেনাররা। উদ্বোধনী জুটিতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে ওপেনার মিচেল মার্শ মাত্র ২৮ বলে ৬০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে জয় সহজ করে দেন। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল, নাসুম ও রিশাদ একটি করে উইকেট পান।
ওয়ানডে সিরিজে দারুণ লড়াইয়ের পর টি-টোয়েন্টিতে এমন একতরফা হোয়াইটওয়াশ বিশ্বকাপের আগে টিম ম্যানেজমেন্টকে নতুন করে ভাবনায় ফেলবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...