বিজ্ঞাপন
সেন্টকমের দাবি, সর্বশেষ এই হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার স্থাপনা এবং জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করিডোরে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা চালানোর সক্ষমতা দুর্বল করতে হরমুজ প্রণালির ভেতরে ও আশপাশে অবস্থানরত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযানেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তবে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ নিয়ে ইরান এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে না অস্বীকার করেছে, না নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, দেশটির কেশম দ্বীপে আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আরও দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামোয় ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি সাধনের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
সেন্টকম বাণিজ্যিক জাহাজে কথিত ইরানি হামলাকে আন্তর্জাতিক নৌ-নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক উল্লেখ করে এটিকে যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। একই সঙ্গে তারা বলেছে, এ ধরনের হামলা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে এবং তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সূত্র: আল জাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...