Logo Logo

অবৈধ ই-ট্রানজেকশনে অনলাইন জুয়া পরিচালনা: দুই তরুণীসহ আটক ৪


Splash Image

অনলাইন জুয়ার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অর্থ লেনদেনকারী একটি সক্রিয় চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে এই চার ‘সুপার এজেন্ট’-কে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে অবৈধ ই-ট্রানজেকশনে ব্যবহৃত ৫৫টি সিম কার্ড, ১০টি স্মার্টফোন এবং নগদ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানাধীন উপশহর ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই (নিঃ) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এলাকায় নৈশকালীন টহল দিচ্ছিল। ভোর আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটের দিকে বাবলাতলা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে প্রথমে তাপস কুমার (২৪) ও তুষার শিকদার (২৪) নামের দুজনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, সরকারের অনুমোদনহীন ও অবৈধ বিভিন্ন বেটিং সাইট সহ নানা প্ল্যাটফর্মের হয়ে তারা কাজ করছিল। বিভিন্ন অবৈধ ভার্চুয়াল কারেন্সি ও পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তারা বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন এবং ই-ট্রানজেকশন পরিচালনা করে আসছিল।

পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের মোহাম্মদ আলী মণ্ডলের বাড়ির (বাসা নং- ৮২১) তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে চক্রের অপর দুই নারী সদস্য মোছা. সাদিয়া ইসলাম সুইটি (২৩) ও ইসরাত জাহান তৃপ্তিকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ তাদের হেফাজত থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের পাশাপাশি অনলাইন জুয়ার ট্রানজেকশনে ব্যবহৃত বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৫৫টি সক্রিয় সিম ও নগদ ৫৭ হাজার টাকা জব্দ করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়:

১. তাপস কুমার (২৪), পিতা- তপন কুমার, গ্রাম- গোয়ালখালী, থানা- শালিখা, জেলা- মাগুরা।

২. তুষার শিকদার (২৪), পিতা- তাপস শিকদার, গ্রাম- নয়াকান্দি, থানা- কালকিনি, জেলা- মাদারীপুর।

৩. মোছা. সাদিয়া ইসলাম সুইটি (২৩), পিতা- মো. রফিকুল ইসলাম, গ্রাম- তেঘরিয়া (গোরপাড়া), থানা- কোতোয়ালি, জেলা- যশোর।

৪. ইসরাত জাহান তৃপ্তি (২০), পিতা- মো. টিপু সুলতান, গ্রাম- রামকৃষ্ণপুর, থানা- কোতোয়ালি, জেলা- যশোর।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে সোমবারই বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চক্রটির পেছনে আরও কোনো বড় নেটওয়ার্ক কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...